ফেনী
বৃহস্পতিবার, ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ ইং, রাত ১:২২
, ৯ই রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী

যে কারণে সকালে গুড় ও ছোলা খাবেন

ছোলা কাঁচা, সেদ্ধ ও তরকারি সবরকম ভাবেই খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা যদি রোজ আদার সঙ্গে খান, তাহলে সেটি আমিষের শক্তি দেবে। অর্থাৎ আমিষ খাবার থেকে আমরা যে উপকার বা শক্তি পাই সেটি পাওয়া যায়। আবার গুড়ে থাকে শর্করা যা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। এইরকম আরও প্রচুর গুণ রয়েছে ছোলা ও গুড়ের মধ্যে।
 
কোষ্ঠকাঠিন্য: যদি খুব কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে, তাহলে রোজ একটু করে গুড় খেতে পারেন। কারণ গুড়ে থাকে শর্করা যা কোষ্ঠ পরিষ্কার করতে খুবই সাহায্য করে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যেটা কিনা অনেক ওষুধ খেয়েও কমেনা।
 
ক্যান্সার: ছোলায় থাকে ফলিক অ্যাসিড যা কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ফলিক অ্যাসিডের আরও একটি গুণ আছে, এটি রক্তকে পরিশুদ্ধ করে। এবং অ্যালার্জির হাত থেকে রক্ষা করে। তার ফলে অ্যাজম্যার মতো সমস্যাও আটকানো যায়। এগুলি মূলত হয় অপরিশোধিত রক্ত থেকে। তাই রক্ত পরিশুদ্ধ হলে এসমস্ত সমস্যা এড়ানো যায়।
 
হৃদরোগ: রোজ সকালে ছোলা খেলে, শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল অনেকটা কমে যায়। তার ফলে হৃদরোগের সম্ভবনা অনেকটা কমে। এছাড়াও এতে আছে ভিটামিন বি ও সি যা হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে। দেখা যায়, যারা রোজ ছোলা খান তাড়া অনেক বেশি ফিট থাকেন। তাই প্রতিদিন সকালে গুড় ও ছোলা খান নিয়ম করে।
 
ত্বকের উপকারিতা: ছোলা ও গুড় আমাদের ত্বককে ভালো রাখতে সাহায্য করে। গুড় যেহেতু ত্বক থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে, তাই ত্বক হয় ভেতর থেকে উজ্জ্বল ও মসৃণ। ব্রণের মতো সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়, যদি রোজ সকালে একটু ছোলা আর গুড় খান।
 
রক্ত সঞ্চালন: গুড় যেহেতু শরীর থেকে আতিরিক্ত টক্সিনকে বের করতে সাহায্য করে সেহেতু, রক্ত পরিষ্কার হয়। অপরিশ্রুত রক্ত থেকে নানান সমস্যা হয়। যেহেতু রক্ত পরিষ্কার থাকে, তাই তার ফলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। আর রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকলে শরীর ভেতর থেকে একদম ফিট থাকে। এবং অন্যান্য রোগের হাত থেকে দেহকে প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
 
টক্সিন:ছোলার মতো গুড়েরও বেশ কিছু গুণ আছে। শরীরে অতিরিক্ত টক্সিন খুবই ক্ষতিকারক। যার জন্য ত্বকে নানা রকম সমস্যা হয়। আর গুড় এই অতিরিক্ত টক্সিনকে শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে। এবং শরীরকে সুস্থ রাখে। লিভারও ভালো থাকে।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo