ফেনী
মঙ্গলবার, ৩১শে মার্চ, ২০২০ ইং, রাত ৪:০৪
, ৫ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

ফেনী জনশক্তি অফিসে হামলায় আ.লীগ নেতাসহ ৪ জন আটক

ফেনী কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।এ ঘটনায় রবিবার সন্ধ্যায় জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসের সহকারি পরিচালক নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামী হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য বিদায়ী কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক ও জেলা কাজী সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন দিদার (৪৯),অপর আসামী ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন (৪৮), জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আশ্রাফ উল্লাহ রাসেল (৪৭), সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন (৪৯) ও নুরুল আমিন (৪৫)।

মামলার এজাহারে নিজাম উদ্দিন উল্লেখ করেন, রবিবার দুপুরে আনোয়ার হোসেন ও নুরুল আমিন ওই অফিসে গিয়ে ভিয়েতনামে ভ্রমন ভিসায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিতে আসে। ভ্রমণ ভিসায় কোন প্রকার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া হয় না, তাদের জানালে নিজামকে আনোয়ার হোসেন আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দসহ হুমকি প্রদান করে বের হয়ে যায়।এরপর দুপুরে তারা দলবদ্ধ হয়ে এসে পুনরায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণের জন্য আসে। এতে নিজাম উদ্দিন অপারগতা জানালে মহিউদ্দিন দিদারের নেতৃত্বে আসামীরা তাকে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করে। বিষয়টি নিজাম উদ্দিন জেলা প্রশাসককে অবগত করার চেষ্টা করলে দিদার ল্যান্ডফোন সেটের লাইন ছিঁড়ে ফেলে ও সেটটি ছুঁড়ে ফেলে দেয়।মোবাইল ফোনে বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানাতে চাইলেও তারা ফোন ছিনিয়ে নেয়। এরপর মহিউদ্দিন দিদার ও আনোয়ার হোসেন নিজামের টেবিলের উপর চেয়ার দিয়ে আঘাত করে গ্লাসসহ ৪টি চেয়ার ভেঙ্গে ফেলে।

পরবর্তীতে নিজাম উদ্দিনের শোর চিৎকারে অফিসের লোকজন সহ স্থানীয় জনসাধারণ এগিয়ে আসে। এসময় নুরুল আমিন পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় দিদারসহ ৪ জনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয় নিজাম উদ্দিন। হামলায় ৫০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় তিনি উল্লেখ করেন। ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় মহিউদ্দিন দিদার, আনোয়ার হোসেন, আশ্রাফ উল্লাহ ও জসিম উদ্দিনকে আটক করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo