ফেনী
বুধবার, ২৭শে মে, ২০২০ ইং, সকাল ১১:১৫
, ৩রা শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম:
করোনা: চীনে প্রথমবারের মতো ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত নেই ফেনীতে ভিন্ন ধর্মালম্বীদের মাঝে নিজাম হাজারী এমপির ঈদ উপহার মহিপালে নজর কাড়ছে ‘আল্লাহ- মুহাম্মদের’ নামে দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য ফেনী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে অসহায়দের মাঝে বিএনপির ঈদ উপহার মহিপালে ৩ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে স্বপন মিয়াজীর খাদ্য সামগ্রী প্রদান  পুলিশকে ফাঁকি দিলেও করোনাকে দেয়ার সুযোগ নেই পত্রিকার হকারদের মাঝে ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির খাদ্য সহায়তা প্রদান ফরহাদ নগরে নিজাম হাজারীর পক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শুসেন শীলের ঈদ উপহার ‘বেঁচে থাকলে পরিবারের সঙ্গে অনেক ঈদ করতে পারবেন’ ঢাকার বাইরে টেস্ট কম শনাক্ত বেশি

ফেনীতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত সংখ্যা

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে ফেনীতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। শনিবার রাতে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায় আরো ৩১ জন শনাক্ত হয়েছে।সোমবার বিকালে প্রাপ্ত ফলাফলে ৪ জন শনাক্ত হয়। এদের মধ্যে চিকিৎসক ও পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এনিয়ে জেলায় ৬৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ফেনীতে প্রশাসনের কঠোরতা সীমিত থাকায় সংক্রমণ বাড়ছে। ক্রমেই জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রমণ। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, শনিবার রাতে চট্টগ্রামের বিআইটিআইডি থেকে ১০ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ আসে। এদের মধ্যে একজন ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও একজন স্বাস্থ্যকর্মী, দাগনভূঞা থানার পুলিশ সদস্য রয়েছেন। অপর ৭ জনের মধ্যে ফেনী শহরের বনানীপাড়া, আলীম উদ্দিন রোড, পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বিজয়সিংজ এলাকা, সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের ১ জন ও বাকী ৩ জন একই উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা। একইদিন রাতে আরও ২১ জনের করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের রিপোর্ট পজেটিভ আসে। এদের মধ্যে ১১ জন স্বাস্থ্য বিভাগের ও ২ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে নারী-শিশু সহ সববয়সী রয়েছেন।সোমবার বিকালে প্রাপ্ত ফলাফলে ৪ জন শনাক্ত হয়।

জেলার সদর উপজেলায় ২২ জন, ছাগলনাইয়ায় ১৩ জন, পরশুরামে ৬ জন, দাগনভূঞায় ১০ জন, সোনাগাজী উপজেলায় ৭  জন ও ফুলগাজী উপজেলায় ৪ আক্রান্ত হয়েছেন।পাশ্ববর্তী উপজেলা মিরসরাই, চৌদ্দগ্রাম ও সেনবাগের ৩ বাসিন্দা ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা করে আক্রান্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যে ১০ জন সুস্থ হয়েছেন।এর মধ্যে ৩ জনকে রেফার্ড করা হয়েছে।এছাড়া ২ জনের মৃত্যু ফলাফল পজেটিভ এসেছে।

এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি), চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী আবদুল মালেক মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।এ পর্যন্ত ৯শ ৬৪  জনের ফলাফল পাওয়া যায়।

সিভিল সার্জন মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, আক্রান্তদের একজন ছাড়া সবাই হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে নিয়মিত তদারকি করছে। জেলায় যে হারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে স্বাস্থ্য বিভাগও উদ্বিগ্ন জানিয়ে তিনি জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার আহ্বান জানান।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo