ফেনী
রবিবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২০ ইং, রাত ৩:৪৮
, ১৯শে রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম:
ফেনীতে অনুমোদনহীন ঔষধ বিক্রির দায়ে ছয় ফার্মেসির জরিমানা প্রেস কাউন্সিলের নানা অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ পিআইবি মহাপরিচালক ফেনী কারাগারে ধর্ষণ মামলার বাদী-আসামীর বিয়ে ফেনীতে নাশকতার অভিযোগে শিবিরের ৪৩ নেতাকর্মী আটক কেন্দ্রীয় নেতাদের মামলা প্রত্যাহার দাবিতে ফেনীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ ফেনীতে তিন দফা দাবীতে জুডিশিয়াল কর্মচারীদের স্মারকলিপি প্রদান ফরহাদ নগরে শ্রমিকলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম,থানায় মামলা প্রতারণার দায়ে ফেনীতে জামায়াত নেতার তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ফেনী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন তপন ফেনীতে বিভিন্ন দাবিতে ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল

‘জবর-দখলের অভিযোগ, উদ্ধারের দাবি’ প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে গজারিয়ার ভুক্তভোগীদের বক্তব্য

২৫ আগস্ট ফেনীর একটি দৈনিকসহ অনলাইনে   ‘দাগনভূঞায় সম্প্রতি জবর-দখলের অভিযোগ, উদ্ধারের দাবি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর গজারিয়া গ্রামের মোবারক আলী মাস্টার বাড়ির মৃত আব্দুল গনির ওয়ারিশ গনের পক্ষে রহিম উল্লাহ ,শহীদুল্লাহ, আবু সুফিয়ান ও মনজুর গং। প্রতিবাদে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে বক্তব্য প্রদান করেছেন তারা। ফেনীর বিজ্ঞ আইনজীবী মরহুম এডভোকেট আকরামুজ্জমানের আইনগত মতামতটি রহিম উল্লাহ ও শহীদুল্লাহ গং এর বক্তব্য হিসেবে নিন্ম তুলে ধরা হলো।

দাগনভূঞা উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর মৌজার সাবেক ১৪৭৫নং রায়তী খতিয়ানের অধীনে সাবেক ১৪৭৭ নং কোল রায়তী খতিয়ানের জনৈক এলাহী বকস্ ২০৫ ডিং ভূমিতে মালিক ও দখলকার ছিলেন। বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ৬৬ ধারার বিধান মতে উক্ত কোল রায়তীর মালিকগণ তথা এলাহী বকসের ওয়ারিশগণ ৩ বৎসরের উদ্ধকাল যাবৎ উপরিস্বত্বের মালিকগণকে খাজনা প্রদান না করায় উপরিস্বত্ত্বের মালিকগণ তৎকালীন ফেনীর ১ম মুনসেফী আদালতে উচ্ছেদ এর মামলা নং-১১৮৮/১৯৩১ইং আননয়ন করিয়া ডিক্রী প্রাপ্ত হওয়া দেখা যায়। পরবর্তীকালে এলাহী বকসের ওয়ারিশ পুত্র লকিয়ত উল্লাহ ও তৎ স্ত্রী ছিদ্দিয়া খাতুন দিগত ১৯/০৪/১৯৩৯ইং তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত উপরিস্থ মালিক আবদুল গণি হইতে কোল রায়তী ১৪৭৭ খতিয়ান এর আন্দরে ৫০ ডিং এবং ১৪৭৫নং রায়তী খতিয়ান হইতে ৩২ ডিং একুনে ৮২ডিং ভূমি বন্দবস্ত নিয়া তাহাতে মালিক ও দখলকার নিযুক্ত হয়।
বিগত এস.এ জরিপে লকিয়ত উল্যাহর পুত্র শেখ আহাম্মদের নামে উক্ত ভূমি এস.এ১৫৬৫ ও এস.এ ১৫৬৩নং খতিয়ানে রেকর্ড হইয়াছে। সাবেক ১৪৭৭নং খতিয়ানের বাকী সম্পত্তি আবদুল গণির ওয়ারিশগণের নামে এস.এ ১৫৬৪ নং খতিয়ানে রেকর্ড হইয়াছে। উক্ত খতিয়ানে এলাহী বকসের ওয়ারিশ লকিয়ত উল্যাহ গং এর নামে কিছুমাত্র রেকর্ড হয় নাই। হাল বি.এস জরিপেও আবদুল গণির ওয়ারিশগণের নামে উক্ত ভূমি বি.এস খতিয়ানে রেকর্ড হইয়াছে। আইনের বিধান মতে লকিয়ত উল্যাহ স্বয়ং কবুলিয়ত দ্বারা উচ্ছেদ ও আবদুল গণির স্বত্ত্ব স্বীকার করায় তাহার ওয়ারিশগণ মৌরশের স্বীকারোক্তির বিরুদ্ধে নতুন করিয়া আবদুল গণির স্বত্ত্ব অস্বীকার করার কোন সুযোগ নাই। তৎ বিষয়ে ৪৫ DLR এর 391 পৃষ্ঠায় মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের নজির রহিয়াছে- “estopple binds by heirs”। তদহেতু আমার চূড়ান্ত অভিমত এই যে, সাবেক ১৪৭৭নং কোল রায়তী খতিয়ানের স্বত্ত্ব এবং এলাহী বকসের ওয়ারিশগণের মালিকানা আদালত যোগে উচ্ছেদ করা হইয়াছে এবং এলাহী বকসের ওয়ারিশ লকিয়ত উল্লাহ এবং তৎ স্ত্রী ছিদ্দিয়া খাতুন সাবেক ১৪৭৭ খতিয়ানের ২২৬৫ দাগের ১৫ ডিং সাবেক ২২৭৬ দাগে ২০ডিং ও সাবেক ২২৭৮ দাগে ১৫ডিং একুনে ৫০ডিং ভূমিতে কবুলিয়ত মূলেও এস.এ খতিয়ান মূলে মালিক ছিলেন। উক্ত খতিয়ানের অপর কোন ভূমিতে লকিয়ত উল্যাহ কি তৎ ওয়ারিশগণ মালিক ছিলেন না।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo