ফেনী
বুধবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৬:৫৩
, ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

রিমান্ডে মুখ খুলছেন না ডিবির ওসি

চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীকে ফেনীতে আটক করে ২০টি স্বর্ণের বার ডাকাতি ও লুট করার ঘটনার ১৭ দিনেও ৫টি বার উদ্ধার হয়নি। স্বর্ণের বার উদ্ধার, ডাকাতি ও লুটের বিষয়ে ৮ দিনের রিমান্ডে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও মুখ খোলেননি ডিবির বরখাস্তকৃত ওসি সাইফুল ইসলাম। ফলে তৃতীয় দফায় তাকে রিমান্ড নিয়ে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

গত মঙ্গলবার তাকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য ফেনী জেলা কারাগার থেকে শহরের হাজারী রোডের পিবিআই কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এর আগে পুলিশের এই কর্মকর্তাকে দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে গত ১৯ আগস্ট আদালতে হাজির করে তার আরও সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. শাহ আলম।

গত ২২ আগস্ট শুনানি শেষে ডিবি ওসি সাইফুলকে তৃতীয়বারের মতো তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইর পরিদর্শক মো. শাহ আলম জানিয়েছেন, ৫টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, ডাকাতি ও লুটের বিষয়ে মামলার প্রধান আসামি ডিবির ওসি সাইফুল ইসলামকে রিমান্ডে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এসব বিষয়ে রিমান্ডে তিনি ক্লিয়ার কোনো তথ্য দেননি। চলমান রিমান্ডে ক্লিয়ারভাবে কোনো তথ্য না দিলে তদন্তের স্বার্থে তার আবারও রিমান্ড আবেদন করা হবে।

এ ঘটনায় গত ২৩ আগস্ট মামলার বাদী ব্যবসায়ী গোপাল দাশের গাড়িচালক শওকত আলী ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। গত বুধবার পুলিশের গাড়িচালক মঈনুল হোসেন ও আমজাদ হোসেন তুহিন আদালতে জবানবন্দি দেন। একই দিন দ্বিতীয় দফায় তিন দিন করে রিমান্ড শেষে এসআই মোতাহের হোসেন, এসআই মিজানুর রহমান, এসআই নুরুল হক, এএসআই অভিজিৎ রায় ও এএসআই মাসুদ রানাকে কারাগারে পাঠান আদালত।

পাশাপাশি এই মামলায় আটক বাদীর সাবেক ব্যবসায়ী অংশীদার সমিদুল আলম ভুট্টো গত ১৫ আগস্ট ডাকাতির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তাকেও মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৮ আগস্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ফতেহপুরে চট্টগ্রামের স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাশের কাছ থেকে ২০টি স্বর্ণের বার ডাকাতি করা হয়। এ ঘটনায় গত ১০ আগস্ট ডিবির ওসি সাইফুলসহ ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন তিনি। একই দিন তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo