ফেনী
বুধবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৭:০১
, ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

এজাহারের গলদ বিষয়ে পিবিআইকে জানাল বাদি 

চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীকে ফেনীতে আটক করে ২০টি স্বর্ণের বার ডাকাতি ও লুন্ঠন করা মামলার এজাহারের গলদ বিষয়ে মৌখিকভাবে পিবিআইকে জানিয়েছে বাদি গোপাল কান্তি দাশ। রোমবার বিকালে ফেনী শহরের হাজারী রোডস্থ পিবিআই কার্যালয়ে বাদি উপস্থিত হয়ে এটি জানান।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা  পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. শাহ আলম জানান,মামলার তদন্তের স্বার্থে  স্বর্ণ’র বারের বৈধ কাগজপত্র বাদিকে জমা দিতে বলা হয়েছে।তিনি সময় চাইছেন।এসময় মামলার এজাহার বিষয়ে মৌখিকভাবে বক্তব্য দিতে গিয়ে বাদি একমত হলেও এজাহারে উল্লেখিত স্বর্ণ’র বার নিয়ে বাদি ভিন্নরকম কথা বলেছেন।এরপরেও এজাহার বিষয়ে যদি অতিরিক্ত কিছু বাদি লিখিত আকারে দেয় তা আমরা দেখবো।
এ ঘটনায় তৃতীয় দফায় ১১ দিনের রিমান্ড শেষে ওসি সাইফুল ইসলাম ও দ্বিতীয় দফায় ৩ দিন করে রিমান্ড শেষে এসআই মোতাহের হোসেন ,এসআই মিজানুর রহমান, এসআই নুরুল হক এবং এএসআই অভিজিৎ রায় ও এএসআই মাসুদ রানা কারাগারে রয়েছেন।
গত সোমবার (২৩ আগস্ট) মামলার বাদি ব্যবসায়ী গোপাল দাশের গাড়ি চালক শওকত আলী ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষি হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। গত বুধবার (১৮ আগস্ট) পুলিশের গাড়ি চালক মঈনুল হোসেন ও আমজাদ হোসেন তুহিন আদালতে জবানবন্দী দেন।
পাশাপাশি এই মামলায় আটক বাদীর সাবেক ব্যবসায়ী অংশীদার সমিদুল আলম ভুট্টো ১৫ আগস্ট রোববার ডাকাতির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। তাকেও মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গত ৮ আগস্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ফতেহপুরে চট্টগ্রামের স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাশের কাছ থেকে ২০টি স্বর্ণের বার ডাকাতি করা হয়। এ ঘটনায় ১০ আগস্ট
ডিবির ওসি সাইফুলসহ ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্বে থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি। একইদিন তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo