ফেনী
বুধবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৬:২৯
, ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

নিরাপত্তায় ঘরের চারপাশে সিসি ক্যামেরা স্থাপন

পাঁচগাছিয়ায় প্রতিপক্ষদের হামলা-মামলায় অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা

ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের উত্তর কাশিমপুরে জায়গা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষদের হামলা-মামলায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সুধাংশু কুমার দাস ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ নিয়ে ভুক্তভোগীরা প্রতিকার চেয়েও না পয়ে উল্টো হয়রানির শিকার হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , ওই গ্রামের দাসপাড়ার মৃত মনমোহন চন্দ্র দাসের ছেলে সুধাংশু কুমার দাস গংদের সাথে মৃত নিবারণ সরকারের ছেলে নারায়ন চন্দ্র সরকার ও মৃত অমুল্য কুমার সরকারের ছেলে রিপন কুমার সরকারের গংদের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।জায়গা নিয়ে বিরোধ স্থানীয়ভাবে সমাধান না হওয়ায় গড়িয়েছে আদালত পর্যন্তু। তবে বিরোধের জের ধরে ভুক্তভোগী সুধাংশু কুমার দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর বিভিন্ন সময়ে হামলা চালিয়েছে নারায়ন চন্দ্র ও রিপন কুমার সরকারের গংদের লোকজন।এ নিয়ে প্রতিকার চেয়ে উল্টো মামলার আসামি হয়ে হয়রানির শিকার হয়েছে ভুক্তভোগীরা। প্রতিপক্ষের হামলা-মামলায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে তাদের জীবন।
আবুল কালাম নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, নারায়ন চন্দ্র ও রিপন কুমার সরকারের অর্থ ও ক্ষমতার জোরে প্রকৃত জায়গার মালিক হয়েও ভোগ করতে পারছেনা সুধাংশু কুমার দাস গং। তাদের মামলা-হামলায় অতিষ্ঠ হয়ে একপর্যায়ে নিরাপত্তার জন্য ঘরের চারপাশে সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছে ভুক্তভোগী সুধাংশু কুমার দাস গং। এরপরেও প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে দুইটি সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে নষ্ট করে দিয়েছে।
ভুক্তভোগী সুধাংশু কুমার দাস জানান, জায়গা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিভিন্ন সময়ে দফায় দফায় আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে নারায়ন চন্দ্র ও রিপন কুমার সরকার গং। এ নিয়ে পুলিশের কাছ থেকে সহযোগিতা চেয়েও কোন প্রতিকার পায়নি বরং প্রতিপক্ষের বিভিন্ন মিথ্যা মামলার আসামি হয়ে হয়রানির শিকার হয়েছি।

অভিযুক্ত নারায়ন চন্দ্র সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে ফোনের লাইন কেটে দেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, জায়গা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে মামলা-হামলার ঘটনা ঘটেছে। উভয়ের শান্তির জন্য জায়গা নিয়ে বিরোধ সমাধানে উদ্যোগ নিয়েও কোন সমাধানে যেতে পারেননি বলে তিনি দাবি করেন।

ফেনী মডেল থানার এসআই কেশব কুমার দাশ জানান, বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষকে থানায় বসানোর জন্য বারবার ঢাকার পরেও তাঁরা আসেনি।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo