ফেনী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:৫২
, ১৮ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি
শিরোনাম:
মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রী করায় মস্কো বেকারসসহ ৪ প্রতিষ্ঠানের জরিমানা দাগনভূঞা প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে সভাপতি সুমন, সম্পাদক রনি ফেনীতে শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ফেনীর প্রবীণ সাংবাদিক শাহজালাল রতনের দাফন দেড় বছরের সাজা এড়াতে ৭ বছর পালিয়ে থেকেও রক্ষা হলো না দাগনভূঞা লন্ডনী নাছের প্লাজা পরিদর্শনে মাসুদ  চৌধুরী এমপি  ফাজিলপুরে ব্যবসায়ীর স্বর্ণ চুরির ১০ দিনে রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৬ ফেনী আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি-জামাত সমর্থিত প্যানেল’র সংখ্যাগরিষ্ঠ জয় জিয়াউদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর মৃত্যুতে খেলাঘর ফেনী জেলা কমিটির শ্রদ্ধাঞ্জলি ফের বাংলাদেশি ছবিতে ঋতুপর্ণা

ফেনীতে ব্যবসায়ীর স্বর্ণ ডাকাতির এক বছরেও চার্জশিট দেয়নি পিবিআই

চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীকে ফেনীতে আটক করে ২০টি স্বর্ণের বার ডাকাতি ও লুন্ঠন করার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় এক বছরেও চার্জশিট দেওয়া হয়নি।এবং ডাকাতিকৃত ৫ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার না হলেও আগামী এক মাসের মধ্যে ৬ পুলিশসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন পিবিআই।

সুত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৮ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের হাজারী গলির স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাশ ২০টি স্বর্ণের বার নিয়ে ঢাকা যাওয়ার পথে সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনী সদর উপজেলার ফতেহপুর রেলওয়ে ওভারপাস এলাকায় ডিবি পুলিশ তার গাড়ি থামায়। এরপর তাকে আটক করে দূরবর্তীস্থানে নিয়ে স্বর্ণের বারগুলো ছিনিয়ে নিয়ে ভয় দেখিয়ে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনার পরদিন ওই ব্যবসায়ী চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানান। অভিযোগ পেয়ে ফেনী জেলা পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় ডিবির পরিদর্শকসহ ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্বে ওই ব্যবসায়ী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ১০ আগস্ট রাতে ফেনী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি সাইফুল ইসলাম, এসআই মোতাহার হোসেন, নুরুল হক ও মিজানুর রহমান এবং এএসআই অভিজিৎ বড়ুয়া ও মাসুদ রানাকে গ্রেফতার করে জেলা পুলিশ।একই সঙ্গে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।পরে তাদের হেফাজত থেকে ১৫টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে পুলিশ। কয়েকদফা রিমান্ড শেষে ওই ছয় পুলিশ সদস্যকে কারাগারে প্রেরণ করে আদালত।

এ ঘটনায় মামলার বাদী ব্যবসায়ী গোপাল দাশের সাবেক ব্যবসায়ী অংশীদার সমিদুল আলম ভুট্টো ১৫ আগস্ট ডাকাতির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তাকেও মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।১৮ আগস্ট ডিবি পুলিশের গাড়ি চালক মঈনুল হোসেন ও আমজাদ হোসেন তুহিন এবং ২৩ আগস্ট মামলার বাদীর গাড়ি চালক শওকত আলী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

২২ সেপ্টেম্বর ঘটনার মুল পরিকল্পনাকারী চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই ফিরোজ আলমকে গ্রেফতার করে পিবিআই।পরে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে হার্ট এট্যাক করে মারা যান তিনি।

গ্রেফতারকৃত ৬ পুলিশ সদস্যসহ ৭ জনের মধ্যে বর্তমানে কারাগারে আছেন ৪ পুলিশ সদস্য। এসআই মোতাহের হোসেন ও নুরুল হক এবং বাদির ব্যবসায়ীক অংশিদার সমিদুল আলম ভুট্টো উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছেন।

এ ব্যপারে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই ফেনীর পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, আলোচিত এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হজ্ব গমনে যাওয়ায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করা যায়নি,আগামী এক মাসের মধ্যেই চার্জশিট দাখিল করা হবে।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo