ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (দাগনভুইয়া-সোনাগাজী) আসনে ধানের শীষ প্রতিকে বিপুল ভোটে জয় লাভ করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু।এরপর থেকে ফেনীবাসী এবার মন্ত্রী পাবেন বলে আশাবাদী হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব থেকে মিন্টুকে নিয়ে স্বপ্ন বুনতে থাকেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।অবশেষে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকারে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়ে চমক দেখালেন আবদুল আউয়াল মিন্টু।তার এই অর্জনের মধ্য দিয়ে ফেনীবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে।
এর আগে ফেনী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।পরবর্তীতে একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বস্ত্র ও পাট এবং বন ও পরিবেশসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন লে. কর্ণেল (অব.) জাফর ইমাম বীর বিক্রম। ২০০৬ সালে প্রধানমন্ত্রী থেকে বেগম খালেদা জিয়া বিদায় নেয়ার পর দীর্ঘ সময় ফেনীবাসী আর মন্ত্রী পায়নি।
আবদুল আউয়াল মিন্টু এফবিসিসিআই’র দুইবারের সভাপতিসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়াসহ নিজ এলাকায় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা প্রতিষ্ঠাসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে দীর্ঘ সময় ধরে ভূমিকা রেখে আসছেন তিনি।খ্যাতিমান শিল্পপতি মিন্টুর স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়াল ‘উইমেন এন্টারপ্রিনার্স এসোসিয়েশান (ওয়েব)’ এর চেয়ারপার্সন।তার জ্যেষ্ঠ ছেলে তাবিথ আউয়াল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এর সভাপতি ছাড়াও বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তিনি।
ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন বলেন, ফেনী-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আবদুল আউয়াল মিন্টু মন্ত্রী হওয়ায় দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষার অবসান হয়েছে।এরমধ্য দিয়ে জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে ফেনীবাসী আশাবাদী।



