ফেনী
সোমবার, ১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৯:০৮
, ২৬শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম:
সোনাগাজীতে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ফেনী সোসাইটি উত্তরার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান-ইফতার মাহফিল ঘুষের টাকাসহ সোনাগাজীতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও সহযোগী আটক নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি বন্ধে হটলাইন চালু পরিবেশমন্ত্রী মিন্টুর প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হয়ে চমক দেখালেন আবদুল আউয়াল মিন্টু ফেনীর ৩টি আসনে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ের পথে ফেনীতে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত জয়ের আশায় বিএনপি,চমক দেখাতে চায় জামায়াত-এবি পার্টি ফেনীতে ঈগলের ভোটের গাড়ী ক্যারাভানের উদ্বোধন জনগণ সুযোগ দিলে ফেনীতে সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে

দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন মায়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ১৩ বছরের সাজা থেকে খালাস পেলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। ওই সাজার রায়ের বিরুদ্ধে মায়ার করা আপিলের ওপর পুনঃশুনানি নিয়ে আজ সোমবার রায় দেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মায়ার করা আপিল মঞ্জুর করে এ রায় দেন। একই সঙ্গে আদালত বিচারিক আদালতের দেওয়া ১৩ বছরের সাজার রায় বাতিল ঘোষণা করেছেন বলে জানান মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। সাজার রায়ের বিরুদ্ধে মায়ার করা আপিলের ওপর পুনঃশুনানি নিয়ে গত ১৪ আগস্ট হাইকোর্ট ৭ অক্টোবর রায়ের দিন রাখেন। সেদিন মায়ার পক্ষে আইনজীবীরা শুনানি করেন। এরপর দুদক বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করে। পরে আজ তা শেষ হয়। শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে মায়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার ও আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিনউদ্দীন মানিক।

রায়ের পর এ কে এম আমিনউদ্দীন মানিক বলেন, হাইকোর্ট ওই মামলায় মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে দেওয়া ১৩ বছরের সাজার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। মায়ার আপিল মঞ্জুর করে এই রায় দেওয়া হয়।

আইনজীবী সূত্র বলেছে, দুদক ২০০৭ সালের ১৩ জুন সূত্রাপুর থানায় মায়ার বিরুদ্ধে ওই মামলা দায়ের করে। এতে সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে ২৯ লাখ টাকার সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। পরের বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত দুই ধারায় মায়াকে মোট ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। সেই সঙ্গে তাঁকে জরিমানাও করা হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন মায়া। শুনানি নিয়ে ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে খালাস দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে দুদক আপিল বিভাগে আবেদন করে, যার শুনানি নিয়ে ২০১৫ সালের ১৪ জুন মায়াকে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বাতিল করেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে হাইকোর্টে নতুন করে আপিল শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট পুনঃশুনানি শেষ করেন আদালত। ওই দিন আদালত ৭ অক্টোবর রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo
error: Content is protected !!