ফেনী
সোমবার, ১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৪:৫১
, ২৬শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম:
সোনাগাজীতে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ফেনী সোসাইটি উত্তরার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান-ইফতার মাহফিল ঘুষের টাকাসহ সোনাগাজীতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও সহযোগী আটক নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি বন্ধে হটলাইন চালু পরিবেশমন্ত্রী মিন্টুর প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হয়ে চমক দেখালেন আবদুল আউয়াল মিন্টু ফেনীর ৩টি আসনে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ের পথে ফেনীতে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত জয়ের আশায় বিএনপি,চমক দেখাতে চায় জামায়াত-এবি পার্টি ফেনীতে ঈগলের ভোটের গাড়ী ক্যারাভানের উদ্বোধন জনগণ সুযোগ দিলে ফেনীতে সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে

উড়োজাহাজ আটকে দিল মশা!

নিজস্ব প্রতিবেদক-অতি ক্ষুদ্র হলেও দাপট দেখাতে বেশ পটু মশা নামের প্রাণী। মশার কামড়ে বছরজুড়েই অতিষ্ঠ হতে হয় রাজধানী ঢাকাবাসীকে। এবার মশা থামিয়ে দিল মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজকে। ঘটনাটি ঘটেছে  বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানী ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।

রাত সাড়ে ১২টার দিকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা ছিল মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের এমএইচ ১৯৭ নম্বর ফ্লাইটের। বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজটিতে দেড় শ যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের নিয়ে উড়োজাহাজটি রানওয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ উড়োজাহাজের ভেতরে থাকা মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে যান তাঁরা। যাত্রীদের অভিযোগে আকাশে ডানা মেলার ঠিক আগমুহূর্তে আবার বে এরিয়ায় ফিরে আসে উড়োজাহাজটি।

বে এরিয়ায় ফিরে আসার পর মশা নিধন শুরু হয়। কেবিন ক্রুরা ওষুধ ছিটিয়ে এ কাজ করতে থাকেন। ওষুধ ছিটানোর পর মশার দাপট কমে আসে। পরে প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে রাত পৌনে তিনটার দিকে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি নিজ গন্তব্যের দিকে রওনা হয়।

মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ আজিজ বলেন, যাত্রীরা মশার কারণে উড়োজাহাজে বসতে পারছিলেন না। তাঁদের অভিযোগের কারণে উড়োজাহাজটি ফিরে আসে। মশার কারণেই ফ্লাইটটি দুই ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ে। বিষয়টি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে তিনি জানান।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর গড়ে সাত মাস মশার দাপট থাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। অক্টোবর মাস শুরু হতে না হতেই মশার উপদ্রব শুরু হয়। শীতকালে তা সহ্যের বাইরে চলে যায়। এপ্রিলের পর বৃষ্টি হলে মশার দাপট কিছুটা কমে। ১ হাজার ৯৭১ একর আয়তনের এই বিমানবন্দরের প্রায় অর্ধেক জায়গাজুড়ে আছে ছোট-বড় জলাশয়। মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাস বৃষ্টির কারণে এই জলাশয়গুলো পানিতে ভরে যায়। বর্ষা চলে যাওয়ার পর শুষ্ক মৌসুমে এসব জলাশয়ে অল্প পানি জমে থাকে। এ সময় সেখানে মশার বংশবিস্তার ঘটে। দিনের বেলা মশার দাপট না থাকলেও রাতের বেলা বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনায় ঢুকে পড়ে মশা। এ ছাড়া কার্গো গুদাম এলাকায় মশার কারণে অবস্থান করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।

বিদেশি বিমান সংস্থার একাধিক কর্মকর্তারা জানান, প্রচুর বৈদ্যুতিক আলো ও প্রবেশপথ খোলা থাকায় মূল টার্মিনালে সন্ধ্যার পরপরই মশা ঢুকে পড়ে। উড়োজাহাজ থেকে নামার পর মশার ঝাঁক যাত্রীদের রীতিমতো ঘিরে ধরে। রাতের বেলা মশার কামড় খেয়ে ছটফট করতে করতে যাত্রীদের চেক-ইনের কাজ করেন কর্মীরা।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo
error: Content is protected !!