সোনাগাজীর সেই শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের গাফেলতি পরিচ্ছন্ন ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ওই থানার সাবেক আলোচিত ওসি হুমায়ুন কবির।শনিবার ভোর ৫.৫৫ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের নিজ আইডিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এসময় তিনি আরো বলেন,আমিও চাই পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তির জন্য হলেও তাকে (ওসি) আইনের আওতায় এনে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক। এমন পলিশ অফিসারের জন্যই পুলিশের কলংক বইতে হয়।
এ ঘটনায় নুসরাতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার।
এর আগে ২৭ মার্চ নিজ কক্ষে ঢেকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করে।এ ঘটনায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন শিক্ষার্থীর পরিবার।এরপর রাফির পরিবারকে মামলা তুলে নিতে অনবরত হুমকি দিয়েছিলেন অধ্যক্ষের সহযোগীরা।
ওই মামলায় সিরাজ উদদৌলা কারারন্তীন থাকাকালীন ৬ এপ্রিল ওই শিক্ষার্থীকে মাদরাসার ছাদে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে চার মুখোশধারী।এ ঘটনায় অধ্যক্ষ সিরাজসহ ৮ জনকে আসামী করে থানায় রাফির পরিবার মামলা দায়ের করলে পুলিশ এই পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করে ১১জনকে ৭ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।আদালত শুনানি শেষে বিভিন্ন মেয়াদে তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
দীর্ঘ ৫ দিন শরীরের ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা নিয়ে বুধবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ণ ইউনিটে মৃত্যুবরন করেন রাফি। বৃহস্পতিবার সোনাগাজী সাবের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাযার নামাজ শেষে সন্ধ্যায় পৌরসভার উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাদির কবরের পাশে অশ্রুসিক্ত নয়নে তাকে দাফন করা হয়।



