ফেনী
সোমবার, ১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৪:৫১
, ২৬শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম:
সোনাগাজীতে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ফেনী সোসাইটি উত্তরার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান-ইফতার মাহফিল ঘুষের টাকাসহ সোনাগাজীতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও সহযোগী আটক নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি বন্ধে হটলাইন চালু পরিবেশমন্ত্রী মিন্টুর প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হয়ে চমক দেখালেন আবদুল আউয়াল মিন্টু ফেনীর ৩টি আসনে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ের পথে ফেনীতে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত জয়ের আশায় বিএনপি,চমক দেখাতে চায় জামায়াত-এবি পার্টি ফেনীতে ঈগলের ভোটের গাড়ী ক্যারাভানের উদ্বোধন জনগণ সুযোগ দিলে ফেনীতে সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে

শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরে যেতে বাসচাপায় নিহত মীমের বাবা ও রাজীবের মায়ের আহ্বান

ঢাকা অফিসঃ নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় নিহত দিয়া খানম মীমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম ও নিহত আবদুল করিম রাজীবের মা মনোয়ারা বেগম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সান্ত্বনা ও দোষীদের শাস্তির আশ্বাস পাওয়ার পর তারা এ আহ্বান জানান।

মীমের বাবা জাহাঙ্গীর বলেন, আপনাদের সবার কাছে আমার অনুরোধ, যারা যার সন্তান বুঝিয়ে ঘরে নিয়ে যান। আমরা সুন্দরভাবে এর একটা সত্য বিচার পাব বলে আশা করি। প্রধানমন্ত্রী নিজের মুখে বলেছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের বাসায় গিয়ে বলেছেন, এটা কেউ চাপিয়ে রাখতে পারবে না, বিচার হবেই। তিনি বলেন, সত্য বিচার হলে আমরা দেশের মানুষ সবাই শান্তি পাব।

এদিকে রাজীবের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, সবাই আমার সন্তানের জন্য রাস্তায় নেমেছ। সবই হয়ে গেছে। এখন তোমরা যে যার ঘরে উঠে যাও। তোমাদের সবার কাছে অনুরোধ, তোমরা ঘরে ফিরে যাও।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শোকাহত স্বজনরা দেখা করতে গেলে তাদের সমবেদনা জানান শেখ হাসিনা।

তিনি দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে ৪০ লাখ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র অনুদান দেন। এ সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, নিহত মীমের মা রোকসানা বেগম, বাবা জাহাঙ্গীর আলম, বড় বোন রোকেয়া খানম রিয়া ও ছোট ভাই পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়াদুল ইসলাম আরাফাত।

আর রাজীবের স্বজনদের মধ্যে ছিলেন মা মনোয়ারা বেগম, ছোট ভাই মো. আল আমিন ও এক বোন।

গত রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনের বিমানবন্দর সড়কে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একদল শিক্ষার্থী।

এ সময় বেসরকারি জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস শিক্ষার্থীদের চাপা দিলে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম ও একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মীম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ছাড়া বাসচাপায় আহত হন আরও ১৩ জন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে নিহত মীম ও রাজীবের পরিবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে কয়েকটা দাবি জানায়।

দাবিগুলো হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের জন্য শহীদ রমিজ উদ্দিন স্কুলকে পাঁচটা বাস প্রদান, রমিজ উদ্দিন স্কুলসংলগ্ন বিমানবন্দর সড়েক আন্ডারপাস নির্মাণ,দেশের প্রতিটি স্কুলসংলগ্ন রাস্তায় স্পিডবেকার এবং শুধু স্কুলের জন্য প্ল্যাকার্ডসংবলিত বিশেষ ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ করা।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo
error: Content is protected !!