ফেনী
শনিবার, ৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ভোর ৫:৪৮
, ১৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম:
সোনাগাজীতে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ফেনী সোসাইটি উত্তরার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান-ইফতার মাহফিল ঘুষের টাকাসহ সোনাগাজীতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও সহযোগী আটক নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি বন্ধে হটলাইন চালু পরিবেশমন্ত্রী মিন্টুর প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হয়ে চমক দেখালেন আবদুল আউয়াল মিন্টু ফেনীর ৩টি আসনে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ের পথে ফেনীতে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত জয়ের আশায় বিএনপি,চমক দেখাতে চায় জামায়াত-এবি পার্টি ফেনীতে ঈগলের ভোটের গাড়ী ক্যারাভানের উদ্বোধন জনগণ সুযোগ দিলে ফেনীতে সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে

মদ,নারী-এহেন অপকর্ম নেই যা সৌদি রাজপরিবারে হয় না

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- দুর্নীতির দায়ে সম্প্রতি আটক হওয়া সৌদি যুবরাজ আল ওয়ালিদ বিন তালালের স্ত্রী আমিরা বিনতে আইডেন বিন নায়েফ সম্প্রতি রাজ পরিবারের অন্ধকার দিকের কথা তুলে ধরেছেন। আমিরা অবশ্য তালালের সাবেক স্ত্রী, যুবরাজের কর্মকাণ্ডের কারণে আগেই সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন।

আমিরা জানিয়েছেন, সৌদি পরিবারকে বাইরে থেকে যতোটা ভদ্র ও ধর্মভীরু বলে মনে হয়, বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো! তিনি জানান, তার সাবেক স্বামীসহ রাজপরিবারের অনেকেই অর্থ পাচারসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। এক কথায় বলতে গেলে এহেন কোনো অপকর্ম নেই যা তারা করেন না।

আমিরা জানান, জেদ্দা শহরকে এরা দাস বাজারে পরিণত করেছেন। সেখানে অল্প বয়সী নারী বিক্রি থেকে শুরু করে মদ, সেক্স পার্টির মতো সব রকম ব্যভিচারই হয়ে থাকে। পুলিশ এসবের ব্যাপারে অবহিত থাকলেও শুধুমাত্র চাকরি হারানোর ভয়ে কোনো উদ্যোগ নেয় না। কেননা, শহরের সব অপরাধের পেছনে সৌদি রাজ পরিবারের সদস্যরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। আর সে কারণেই সৌদি পরিবারের পুরুষেরা ব্যভিচারের চূড়ান্ত করে আসছে।

আমিরা সম্প্রতি হেলোউইন পার্টির উদাহরণ তুলে ধরেন। বলেন, সেই পার্টিতে সর্বসাকুল্যে দেড়শ’ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।
যাদের ভেতরে কূটনৈতিক কর্মকর্তারাও ছিলেন। সেখানে সেদিন যা হয়েছে তা বাইরের দেশের কোনো নাইট ক্লাবের থেকে আলাদা ছিল না।

সৌদি আরবে মদ নিষিদ্ধ হলেও সেই পার্টিতে তরল পদার্থটির বন্যা বয়ে গিয়েছিল। সেই ডিজে পার্টিতে ওয়াইন, জুটিদের নাচ, নানান ধরনের পোশাক পরা সবই হয়েছিল।

আমিরা জানান, সৌদি আরবে মদ নিষিদ্ধ হওয়ায় কালো বাজারে এটির প্রচুর দাম। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, সেখানে এক বোতল স্মিরনফ ভদকা কিনতে গেলে প্রায় দেড় হাজার রিয়াল গুনতে হয়। টাকার হিসেবে যা প্রায় ৩৩ হাজার। কখনও কখনও সেসব পার্টিতে আয়োজকেরা আসল মদের বোতলে স্থানীয় মদ ঢুকিয়ে সার্ভ করে থাকে। স্থানীয় সেই সব ওয়াইনকে তারা সিদ্দিকী নামে চেনে।

আমিরা বলেন, সৌদি আরবে দাসপ্রথা এখনও রয়েছে। তবে সেটি গোপনে এবং অন্যভাবে হয়ে থাকে। রাজপরিবারের কিছু সুবিধাভোগী ব্যক্তি সেখানে দাস বিক্রি করে থাকেন। আর এসব দাস বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আনা হয় শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, রোমানিয়া এবং বুলগেরিয়া থেকে।

যেসব শিশুকে এখানে বিক্রি করা হয় তারা কখনই মালিকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোথাও যেতে পারে না। এমনকি এশিয়ার দাসীরা প্রায় ক্ষেত্রেই নিজেদের বন্দি বলেই মনে করেন। সেখানে অল্প বয়সী মেয়েদের আলাদা করে রাখা হয় এবং তাদের উপর যৌন নিপীড়ন চালানো হয়।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo
error: Content is protected !!