ফেনী
বুধবার, ১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:২৬
, ২৮শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম:
খাল খনন না করলে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে বন্যার মাত্রা বেড়ে যাবে ফেনীতে সংঘর্ষে যুবক নিহত,ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৭ ফেনীতে জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামাসহ যুবক গ্রেফতার ফেনীতে জমে উঠেছে ঈদ বাজার,গভীর রাতেও ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড় যারা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হবে,তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে পরশুরামে প্যারোলে মুক্তিতে পিতার জানাযায় অংশ নিলেন যুবলীগ নেতা সোনাগাজীতে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ফেনী সোসাইটি উত্তরার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান-ইফতার মাহফিল ঘুষের টাকাসহ সোনাগাজীতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও সহযোগী আটক নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি বন্ধে হটলাইন চালু পরিবেশমন্ত্রী মিন্টুর

এটা নির্বাচনী জোট নয়, আ.লীগও আসতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপিসহ সরকারবিরোধী দলগুলো নিয়ে নতুন যে জাতীয় ঐক্যের ঘোষণা দিয়েছেন ড. কামাল হোসেন, এটাকে তিনি নির্বাচনী জোট বলতে নারাজ। বিবিসি বাংলার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, তাদের এই জোট কোনো নির্বাচনী জোট নয়। একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায়ের লক্ষ্যেই শুধু তারা একজোট হয়েছেন। এখানে আওয়ামী লীগও আসতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ড. কামাল জানান, বর্তমান সংবিধানিক কাঠামো এবং ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচনে যোগদান করতে তারা নীতিগতভাবে রাজি আছেন। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, তাদের নবগঠিত জোটের শরিকদের সঙ্গে এব্যাপারে কোনো কথা হয়নি। এটি শুধুই তার দলের অবস্থান।

গণফোরাম সভাপতি বলেন, ‘এটা একটা সিম্পল প্রভিশন। আমি মনে করি সবাই এটা বলতে দ্বিধা করবেন না। তবে এরকম কোনো সিদ্ধান্ত আমরা বসে নিইনি।’

কামাল হোসেন বলেন, ‘বলা হচ্ছে, তারা যেগুলো আইনে আছে, এগুলো মেনে চলবেন। যদি দেখা যায় যে, তারা এখান থেকে সরে যাচ্ছেন বা কোনো প্রভাব ফেলার চেষ্টা করছেন তখন এটা দৃষ্টি এলে প্রথমেতো আপত্তি করা হবে যে, এটা থেকে আপনারা বিরত থাকেন। এরপরও অন্যপক্ষ যদি দেখেন যে রীতিনীতি না মেনে এটা করা হচ্ছে তখন তো নির্বাচন বাতিল করার জন্য কোর্টে যেতে হবে।’

জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক মনে করেন, যারা সরকারে থাকবে, নির্বাচন নিরপেক্ষ করতে তাদের দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ যারা আছেন, তারা যখন একটা স্বাক্ষর করবেন যে, আমরা কেউ এখানে হস্তক্ষেপ করবো না, আমরা এই প্রক্রিয়াকে একটা নিরপেক্ষ প্রক্রিয়া হিসেবে হতে দেবো,তখন আমরা ধরে নিতে পারি সরকারের পক্ষে বা আমাদের পক্ষে যারা ওথ (শপথ) নিয়ে কথাগুলো বলবেন, তাদেরতো ন্যূনতম একটা দায়িত্ববোধ থাকবে।’

‘নির্বাচন কমিশন এটা রেফারি হিসেবে পরিচালনা করবে। কেউ যদি নিরপেক্ষতা থেকে সরে যায় তারা সেটা চিহ্নিত করবে এবং এটাকে অবৈধ বলবে। এগুলোতো ইলেকশন আইনেই আছে।’

জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার ব্যানারে শনিবার এই জোটের প্রথম যে সমাবেশ হয়, সেখান থেকে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয় এবং আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সে সব দাবিদাওয়া মেনে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo
error: Content is protected !!