ফেনী
সোমবার, ১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:১৩
, ২৬শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম:
সোনাগাজীতে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ফেনী সোসাইটি উত্তরার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান-ইফতার মাহফিল ঘুষের টাকাসহ সোনাগাজীতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও সহযোগী আটক নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি বন্ধে হটলাইন চালু পরিবেশমন্ত্রী মিন্টুর প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হয়ে চমক দেখালেন আবদুল আউয়াল মিন্টু ফেনীর ৩টি আসনে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ের পথে ফেনীতে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত জয়ের আশায় বিএনপি,চমক দেখাতে চায় জামায়াত-এবি পার্টি ফেনীতে ঈগলের ভোটের গাড়ী ক্যারাভানের উদ্বোধন জনগণ সুযোগ দিলে ফেনীতে সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে

পুলিশকে জনবান্ধব হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পুলিশ বাহিনীকে জনগণের পুলিশ হিসেবেই নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পুলিশ বাহিনী জনবান্ধব বাহিনী হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ যেন পুলিশ বাহিনী থেকে কাঙ্ক্ষিত সেবাটা পেতে পারে, সে জন্য আমরা পুলিশকে আধুনিক ও জনবান্ধব করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’ জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের মধ্য দিয়ে যেকোনো ধরনের অপরাধ দমন করা সহজ এবং সেই দৃষ্টিকোণ থেকে পুলিশ কাজ করবে, সেটাই তাঁর আশা।রোববার সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২০’ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার পুলিশ হবে জনতার’—এ প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রতিবারের মতো এবারও বিপুল উৎসাহ–উদ্দীপনা এবং আনন্দমুখর পরিবেশে পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২০ উদ্‌যাপিত হচ্ছে। চলবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থকে আমরা ব্যয় হিসেবে নিই না। আমরা মনে করি, জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে এটা আমাদের একধরনের বিনিয়োগ। কাজেই সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা এই পুলিশ বাহিনীকে আধুনিক সাজে সজ্জিত এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে জনগণের সেবা যাতে নিশ্চিত করতে পারি, তার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে সারা দেশের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত নয়নাভিরাম প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। তিনি অনুষ্ঠানে ১১৮ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ পদক ও পুলিশ পদক সেবা এবং রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক সেবা বিতরণ করেন।

পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৪ জনকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)’, ২০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)’ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২৮ জনকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) সেবা’ এবং ৫৬ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) সেবা’ প্রদান করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী ১১৮ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ পদক ও পুলিশ পদক সেবা এবং রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক সেবা বিতরণ করেন। ছবি: ফোকাস বাংলা
বিপিএম মরহুম মো. আকতার হোসেনের (মরণোত্তর) পক্ষে তাঁর সহধর্মিণী এবং দায়িত্ব পালনকালে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত এএসআই নান্নু মিয়া হুইলচেয়ারে বসে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক গ্রহণ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পুলিশের আইজিপি মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারী ও অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. মইনুর রহমান চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন পেশাজীবী সংস্থা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, জ্যেষ্ঠ পুলিশ সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো দুর্যোগে জনগণের পাশে দাঁড়ায় পুলিশ। কাজেই যেকোনো প্রয়োজনে পুলিশ বাহিনীর পাশে দাঁড়ানোটা আমি কর্তব্য বলে মনে করি।’

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo
error: Content is protected !!