ফেনী
শনিবার, ২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:৪০
, ৮ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম:
ফেনী ইউনিভার্সিটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত খাল খনন না করলে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে বন্যার মাত্রা বেড়ে যাবে ফেনীতে সংঘর্ষে যুবক নিহত,ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৭ ফেনীতে জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামাসহ যুবক গ্রেফতার ফেনীতে জমে উঠেছে ঈদ বাজার,গভীর রাতেও ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড় যারা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হবে,তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে পরশুরামে প্যারোলে মুক্তিতে পিতার জানাযায় অংশ নিলেন যুবলীগ নেতা সোনাগাজীতে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ফেনী সোসাইটি উত্তরার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান-ইফতার মাহফিল ঘুষের টাকাসহ সোনাগাজীতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও সহযোগী আটক

বালিগাঁওয়ে প্রতিপক্ষের বাধায় থমকে গেল ব্যবসায়ীর গৃহ নির্মাণ,হামলার অভিযোগ

জায়গা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ফেনীতে প্রতিপক্ষের বাধায় মুছা মিয়া নামে এক ব্যবসায়ীর গৃহ নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।এতে করে গৃহ নির্মাণ কাজের জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।ফলে ওই ব্যবসায়ী প্রায় ৩০ লক্ষ্য টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।এসব নিয়ে প্রতিবাদ করায় ওই ব্যবসায়ীকে হামলা-মামলাসহ নানাভাবে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়সহ বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ফেনী সদর উপজেলার বালিগাও ইউনিয়নের কাতালিয়া গ্রামের মৃত সুলতান আহাম্মদের ছেলে মুছা মিয়া গং ওরারিশ ও সাবকবলা মূলে ক্রয়সুত্রে দখলদার থেকে দীর্ঘ দিন ধরে বসবাস করে আসছিলেন।এরমধ্যে সম্প্রতি রড,সিমেন্ট, ইট বালুসহ সরঞ্জামাদি এনে ব্যবসায়ী মুছা মিয়া নতুন ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করলে প্রতিহিংসা ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দফায় দফায় বাধা দেয় আবু বক্কর সিদ্দিক গং।এসময় প্রতিবাদ করতে গেলে ভুক্তভোগী মুছা মিয়া পরিবারের সদস্যদের উপর বিগত ২৮ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে হামলা চালায় প্রতিপক্ষগণ।এ ঘটনায় ইসমাইল হোসেন বাদি হয়ে আবু বক্কর সিদ্দিকসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৭/৮ জনকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করেন।

এদিকে মুছা মিয়া গংদের বিরুদ্ধেও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন প্রতিপক্ষগণ।এটি হয়রানিমূলক মামলা বলে দাবি উঠে।

স্থানীয়রা একটি সূত্র জানান,হয়রানির উদ্দেশ্যে মুছা মিয়ার ঘর নির্মাণে জোরপূর্বক বাধা দেওয়া হয়েছে।অন্যথায় জায়গা নিয়ে বিরোধ থাকলে কাগজপত্র-প্রমাণ সাপেক্ষে বিষয়টি সমাধান করা যায় কিন্তু তাতে না এসে প্রতিপক্ষগণ গায়ের জোরে এসব অন্যায় কাজ করে যাচ্ছে।

আদালতের মামলার বিষয়ে ফেনী মডেল থানার এসআই আনোয়ার হোসেনের সাথে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য জানা যায়নি।

এদিকে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা ফেনী মডেল থানার এসআই অলি আহাদ জানান, বিষয়টি নিয়ে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :

আরও পড়ুন


Logo
error: Content is protected !!